পঞ্চম পুরষার্থ কি?




*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••••*
_*“সম্বন্ধাদিদেব”, “অভিধেয়াদিদেব” ও “প্রয়োজনাধিদেব”, বলতে কি বুঝতে পারলাম না! সম্বন্ধ,অভিধেয় ও প্রয়োজন বলতে কি বোঝায়? আমাদের মতো মায়াবদ্ধ জীবের চিরতরে নিস্কৃতি লাভের উপায় কি?*_
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••••*
_*❈❀━┉এই প্রশ্নের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে প্রত্যেক জীবের প্রকৃত কল্যাণ তত্ত্ব, যাকে বলা হয় "সাধ্য সাধন তত্ত্ব"। আমি সংক্ষিপ্তভাবে এই বিষয়ে আলোচনা করার প্রয়াস করছি!*_

_*❈❀━┉আমাদের মতো জড়জগতে পতিত, মায়াবদ্ধ,ত্রিতাপ জ্বালায় নীপিড়িত জীবেদের উদ্ধার করার জন্য ও প্রকৃত কল্যাণ করার জন্য কলিযুগ পাবনাবতারী, ভগবানের সর্ব অবতারের অবতারী শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর অতিব অন্তরঙ্গ প্রিয় পার্ষদ শ্রীল সনাতন গোস্বামীপাদকে কৃপাশক্তি সঞ্চারিত করে পরস্পরের মধ্যে এই বিষয়ে কথোপকথন করে যে বিশেষ জ্ঞান প্রদান করেছিলেন,সেটাই হল এই কলিযুগে প্রত্যেক মানুষের ভগবত-প্রেম তথা ভগবত প্রাপ্তির সর্বশ্রেষ্ট উপায় ,সর্ব শাস্ত্রের সার তত্ত্ব ও এই বদ্ধ জীবেদের জন্ম-মৃত্যুরূপ চক্রব্যূহ থেকে চিরতরে নিস্কৃকি লাভের সর্বশ্রেষ্ট পন্থা!*_

_*❈❀━┉আমরা এই জড়জগতে প্রত্যেকেই,দেহ ও মনজাত দুঃখ(আধিতাত্মিক ক্লেশ),অন্য জীব কর্তৃক প্রদত্ত দুঃখ(আধিভৌতিক ক্লেশ) এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের প্রভাবে প্রাপ্ত দুঃখের(আধিদৈবিক ক্লেশ) দ্বারা আক্রান্ত। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতি মুহূর্তেই আমাদের বিপদ হতে পারে, কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা আত্মতত্ত্বজ্ঞানহীন হয়ে এই অনিশ্চিত,অস্থায়ী,দুঃখময়, বিপদসঙ্কুল জড়জগতে সুখে, ভোগবিলাসে বাঁচার জন্য নিরন্তর বোকার মতো ব্যর্থ প্রয়াস করে চলেছি!🤦তাই স্বয়ং করুণাময় ভগবান শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু কৃপা করে শ্রীঅর্জুন স্বরূপ শ্রীল সনাতন গোস্বামীপাদের মাধ্যমে প্রশ্ন করালেন--*_

_*শ্রীল সনাতন গোস্বামীপাদ শরণাগত ভক্তের ন্যায় মহাপ্রভুকে বললেন--"হে প্রভু!সেই যদি কৃপা করে আমাকে উদ্ধার করলেন, তাহলে আমাকে বলুন আমার এখন কি করা কর্তব্য?"*_
_*“'কে আমিʼ, কেনে আমায় জারে তাপত্রয়?*_
_*ইহা নাহি জানি--'কেমনে হিত হয়?'॥”*_

_*❈❀━┉“আমি কে? কেন এই জড় জগতে তিন প্রকার তাপ আমাকে নিরন্তর দগ্ধ করছে?আমি যদি তা না জানতে পারি, তাহলে কিভাবে আমার প্রকৃত মঙ্গল সাধিত হবে? কৃপা করে বলুন প্রভু🤲🙇 জীবনের চরমতম উদ্দেশ্য কি, এবং সেই উদ্দেশ্য সাধন কিভাবে করতে হবে, সেটাও আমি জানি না। কৃপা করে আপনি আমাকে সেই সমস্ত তত্ত্ব সম্বন্ধে উপদেশ প্রদান করুন🤲🙇”*_

_*❈❀━┉শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু বিনয়ের সঙ্গে বললেন---“হে সনাতন!তুমি স্বয়ংই পূর্ণরূপে কৃষ্ণকৃপা প্রাপ্ত, সমস্ত তত্ত্ব সম্বন্ধেও তুমি পূর্ণরূপে জ্ঞাত এবং জড় জগতের ত্রিতাপ দুঃখও তোমাকে স্পর্শ করতে পারে না,তথাপিও কঠোরতা হেতু,নিজে জানা সত্ত্বেও,জীব কল্যাণ হেতু স্বাধুর স্বভাব হল প্রশ্ন করা। ভগবৎ ধর্ম প্রবর্তন করার জন্য তুমিই যোগ্য পাত্র,তাই আমি ক্রমে ক্রমে সমস্ত তত্ত্ব বলছি শোন!”*_

_*❈❀━┉মহাপ্রভু বললেন--*_
_*“জীবের 'স্বরূপʼ হয়-- নিত্য কৃষ্ণদাস।*_
_*কৃষ্ণের 'তটস্থা-শক্তিʼ, 'ভেদাভেদ-প্রকাশʼ॥”*_

_*❈❀━┉অর্থাৎ,জীব তার স্বরূপে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস,সে কৃষ্ণের তটস্থাশক্তি,তাই সে সূর্য ও সূর্য-কিরণের ন্যায় একই সাথে কৃষ্ণের সাথে ভেদ ও অভেদ প্রকাশ। ঠিক যেমন সূর্য অথবা অগ্নি ,সূর্যকিরণ অথবা অগ্নির স্ফুলিঙ্গ থেকে আলাদাও নয়, আবার আলাদাও বটে!*_

_*❈❀━┉এরপর মহাপ্রভু বললেন--*_
   _*“কৃষ্ণ ভুলিʼ সেই জীব অনাদি-বহির্মুখ।*_
    _*অতএব মায়া তারে দেয় সংসার-দুঃখ।”*_

_*❈❀━┉অর্থাৎ,জীব অনাদিকাল ধরে তার কৃষ্ণদাস্য স্বরূপকে ভুলে গিয়ে ভগবানের বহিরঙ্গা মায়াশক্তির দ্বারা জড়া প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে জড় জগতে আবদ্ধ হয়ে রয়েছে! তাই মায়া তাকে এই জড়-জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করে চলেছে!*_

_*❈❀━┉“এই চোদ্দভূবণবিশিষ্ট জড় ব্রহ্মাণ্ডে জীব কখনও পূণ্যফলে জাগতিক সুখ ভোগ করার জন্য  স্বর্গলোকে উন্নীত হয়,আবার কখনও পাপের ফলে দুঃখ ভোগ করার জন্য নরকে গমন করে, ঠিক যেমন একজন রাজা অপরাধীকে নদীর জলে কিছুক্ষণ চুবিয়ে রেখে আবার কিছুক্ষণের জন্য নিঃশ্বাস নিয়ে স্বস্তি প্রদান করার জন্য জল থেকে তুলে দণ্ডদান করেন।”*_

_*❈❀━┉“কৃষ্ণকে ভুলে যাওয়ার কারণে জীবের যে পতন হয়,সেই বিষয়ে সাধুমুখে ও শাস্ত্র অধ্যয়ন করে জানা যায়। চোদ্দভূবণবিশিষ্ট জড়-ব্রহ্মাণ্ডে ৮৪ লক্ষ প্রকার জীবদেহ ধারণ করে ভ্রমণ করতে করতে কোনও সৌভাগ্যবান জীবাত্মা সুদুর্লভ  মনুষ্যদেহ ধারণ করে, সাধু,গুরু,বৈষ্ণব সঙ্গলাভ করে,শাস্ত্রজ্ঞান লাভ করে সেই বিষয়ে জেনে আত্মতত্ত্বজ্ঞান লাভ করে, পুণরায় কৃষ্ণের প্রতি উন্মুখ হয়ে সে নিস্তার লাভ করে,এবং মায়া তাকে তার কবল থেকে মুক্ত করে!”*_

_*❈❀━┉“মায়ার প্রভাবে আচ্ছন্ন বদ্ধ জীব তার নিজের চেষ্টায় কৃষ্ণস্মৃতি জাগরিত করতে পারে না। তাই শ্রীকৃষ্ণ তার অহৈতুকি কৃপার প্রভাবে জীবকে বেদ এবং পুরান আদি শাস্ত্রগ্রন্থাবলী দান করেছেন।”*_

_*❈❀━┉“শ্রীকৃষ্ণ বৈদিক শাস্ত্র, গুরুদেব এবং পরমাত্মার মাধ্যমে স্বরূপ-বিস্তৃত বদ্ধ জীবদের তার সম্বন্ধে জানবার সুযোগ দেন তখন শ্রীকৃষ্ণকে তার প্রভু এবং পরিত্রাতারূপে জানতে পারে।”*_
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••••*

_*❈❀━┉তারপর মহাপ্রভু বললেন---*_
     _*“বেদশাস্ত্র কহে--'সম্বন্ধ','অভিধেয়','প্রয়োজন'।*_
  _*'কৃষ্ণ'--প্রাপ্য সম্বন্ধ, 'ভক্তি'--প্রাপ্ত্যের সাধন॥*_
   _*অভিধেয়-নাম 'ভক্তি', 'প্রেম'---প্রয়োজন!*_
_*পুরুষার্থ-শিরোমণি 'প্রেম' মহাধন॥”*_

_*❈❀━┉একমাত্র কৃষ্ণের সঙ্গে এই সৃষ্টির অনন্ত কোটি জীবাত্মার যে  নিত্য বা চিরন্তন সম্পর্ক রয়েছে তা বৈদিক শাস্ত্রে বলা হয়েছে! তাকেই বলা হয় 'সম্বন্ধ'! অর্থাৎ, আমরা যখন অনন্ত কাল ধরে মায়ার বশে কৃষ্ণস্মৃতি ভুলে যাওয়ার পরে সৌভাগ্যবশত সাধু,গুরু,বৈষ্ণব কৃপায় পুণরায় সেই কৃষ্ণস্মৃতি ফিরে পাই, তখনই আমাদের কৃষ্ণের সঙ্গে নিত্য শাশ্বত সম্পর্কের কথা মনে পড়ে, তাকেই বলা হয় 'সম্বন্ধ'! কিন্তু এই 'সম্বন্ধ'এর বন্ধনকে সুসংবদ্ধ করার জন্য একজন ঘটক বা মাধ্যম এর প্রয়োজন হয়। সেই মাধ্যম হল কৃষ্ণের প্রিয় ভক্ত, সৎগুরু। সৎগুরুদেবের মাধ্যমে আমরা শুদ্ধ শাস্ত্রজ্ঞান লাভ করে,আত্মতত্ত্ব জ্ঞান লাভ করে,মন্ত্রদীক্ষা দ্বারা গুরু-পরম্পরার মাধ্যমে কৃষ্ণের সঙ্গে নিত্য সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য গুরুদেবের নির্দেশ অনুযায়ী যা আচরণ করি তাকে বলা হয়,'অভিধেয়'! অর্থাৎ,কিসের দ্বারা আমরা কৃষ্ণের সঙ্গে সেই নিত্য সম্বন্ধ স্থাপন করতে পারি?তা হল-'ভক্তি'! কৃষ্ণপ্রাপ্তির উপায় স্বরূপ ভক্তিকে বলা হয় 'অভিধেয়'। কিন্তু আমাদের চরমতম উদ্দেশ্য কি লাভ করা? তা হল-“““প্রেম”””(❤️)কোন প্রেম?❤️ “কৃষ্ণপ্রেম”❤️!! ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি প্রেমই হচ্ছে জীবের চরম লক্ষ্য,এবং তাকেই বলা হয় “প্রয়োজন”।*_

      _*তাহলে কৃষ্ণের সঙ্গে নিত্য সম্বন্ধ পুনর্স্থাপন করতে গেলে যদি আমরা ভক্তির মাধ্যমে তাঁর প্রতি গভীর প্রেম লাভ করতে পারি, তাহলে সেই ব্যাকুল,উৎকন্ঠাময় প্রেমের টানে কৃষ্ণ অনায়াসেই ভক্তের কাছে ধরা দিতে বাধ্য হয়!তাই মূল 'প্রয়োজন' হল-- আগে কৃষ্ণ নয়, 'কৃষ্ণপ্রেম'। আর সেই প্রেমই হল একটি সর্বশ্রেষ্ট মহা সম্পদ,যাকে বলা হয় পুরুষার্থ শিরোমণি!*_
   _*সাধারণত প্রত্যেক জীব চতুর্বর্গ বা চার পুরুষার্থ লাভের আশায় এই জগতে ভ্রমণ করে বেড়াতে থাকে অনন্ত কাল ধরে। সেই চার পুরুষার্থ হল---“ধর্ম,অর্থ কাম ও মোক্ষ”। সবার পূর্বে আসে 'কাম', অর্থাৎ, কামনা বাসনা বা ভোগবাসনাই জীবের প্রথম জড় বন্ধনের কারণ। কিন্তু সমস্ত ভোগবাসনা চরিতার্থ করতে গেলে তার পরে প্রয়োজন হয় অর্থের। আবার এই অর্থ উপার্জন করতে গেলে ধর্মাচরণ ছাড়া সম্ভব নয়, অর্থাৎ, অর্থের প্রয়োজনে দেবদেবীগণের শরণাপন্ন হয়ে তাঁদের পূজা অর্চ্চনার কথা মনে আসে! এরপর যখন জীবের অনিত্য ভোগবাসনার প্রতি বিরক্তি আসে, তখনই মোক্ষ লাভের জন্য প্রয়াস করে! তাহলে চার পুরুষার্থ বা চতুর্বর্গের ক্রমটা হল--কাম,অর্থ,ধর্ম অবশেষে মোক্ষ!*_

    _*❈❀━┉ এই চার পুরুষার্থের কথা বহুকাল ধরে সবাই জেনে এসেছে, কিন্তু আর এক মহা সম্পদ,জীবের পরম সম্পদ,যাকে পুরুষার্থ শিরোমণি বলা হয়, সেই গুপ্ত মহা সম্পদের অনুসন্ধান আগে কেউ করেনি এই কলিযুগে। সেই সর্বশ্রেষ্ট সম্পদের সন্ধান দিলেন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ংই প্রেমের ঠাকুর শ্রীগৌরাঙ্গ রূপে! তা হল--❤️“কৃষ্ণপ্রেম”❤️ যাকে বলা হয় “পঞ্চম পুরুষার্থ”।*_

  _*“বেদশাস্ত্র কহে সম্বন্ধ,অভিধেয়,প্রয়োজন।*_
_*কৃষ্ণ,কৃষ্ণভক্তি, প্রেম,--তিন মহাধন॥”*_

_*❈❀━┉অর্থাৎ, বৈদিক শাস্ত্রে সম্বন্ধ, অভিধেয় ও প্রয়োজন এই তিনটি বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে! শ্রীকৃষ্ণকে পরম আকর্ষক, শ্রীকৃষ্ণের সেবাকে পরম কর্তব্য এবং শ্রীকৃষ্ণের প্রতি প্রেমকে জীবনের পরম প্রয়োজন বলে বর্ণনা করা হয়েছে! তাই “কৃষ্ণ,কৃষ্ণভক্তি এবং কৃষ্ণপ্রেম এই  তিনটি হল মহা সম্পদ।”*_

_*❈❀━┉এইবার মূল প্রশ্নের উত্তরে আসি। উপরে যে 'সম্বন্ধ, অভিধেয় ও প্রয়োজন' তত্ত্বের আলোচনা করলাম সেই বিষয়ে বলছি। গৌড়ীয় বৈষ্ণবগণ সমস্ত শাস্ত্রের সার তত্ত্ব জেনে সর্বশ্রেষ্ট ভজন সিদ্ধান্তকে অবলম্বন করে ভজন সাধন করেন সেই পরম লক্ষ্যবস্তু প্রাপ্তির জন্য!*_
   _*শ্রীধাম বৃন্দাবনে তিন মন্দিরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তিন বিগ্রহ স্বরূপে বিরাজমান। জীবের সঙ্গে কৃষ্ণের যে নিত্য "সম্বন্ধ,অভিধেয় ও প্রয়োজন" তিন তত্ত্ব সমন্বিত সাধনা রয়েছে কৃষ্ণের সেই তিন বিগ্রহই হল এই তিন তত্ত্বের অধিদেবতা!*_
   _*সম্বন্ধ তত্ত্বের অধিদেবতা বা সম্বন্ধাদিদেব হলেন--শ্রীশ্রী রাধামদনমোহন জীউ, যে বিগ্রহের সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের যুগল চরণকমলের মিল রয়েছে।*_

    _*অভিধেয় তত্ত্বেে অধিদেবতা বা অভিধেয়াদিদেব হলেন--শ্রীশ্রী গোপীনাথ জীউ,যে বিগ্রহের সঙ্গে ভগবানের শ্রীকৃষ্ণের বক্ষস্থল ও মুরলীর মিল রয়েছে।*_

  _*প্রয়োজন তত্ত্বের অধিদেবতা বা প্রয়োজনাধিদেব হলেন শ্রীশ্রী গোপীনাথ জীউ, যে বিগ্রহের সঙ্গে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মুখমণ্ডলের মিল রয়েছে।*_
   _*এই তিন বিগ্রহ দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার দ্বারাই নির্মিত হয়েছিল!*_
   _*যাইহোক এই তিন তত্ত্বের উপাসনার জন্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের এই তিন স্বরূপের আরাধনা করাই আমাদের কর্তব্য কারণ--*_

       _*“কৃষ্ণমাধুর্য-সেবানন্দ প্রাপ্তির কারণ।*_
    _*কৃষ্ণ-সেবা করে, আর কৃষ্ণ রস আস্বাদন॥”*_

_*❈❀━┉শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্কে সম্পর্কিত হয়ে জীব যখন দিব্য আনন্দ লাভ করে তখন সে শ্রীকৃষ্ণের সেবা করে এবং কৃষ্ণভক্তির রস আস্বাদন করে।*_
   _*আর এটাই জীবের সর্বশ্রেষ্ট সম্পদ ও পঞ্চম পুরুষার্থ প্রাপ্তির সার্থকতা! এই পরম সম্পদহীন জীব হল নির্ধন এবং মোক্ষলাভ এই সম্পদের কাছে অতি তুচ্ছাতিতুচ্ছ,নগন্য!*_
    _*রসিক,প্রেমিক, সৌভাগ্যবান যেজন,*_
    _*এই অতি গূঢ় তত্ত্ব বুঝবে সেজন॥*_
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••••*
*•••••••••┈┉━❀❈🙏🏻❈❀━┉┈•••••••••*

Post a Comment

0 Comments

Close Menu